জীবনের নানা রঙের চার অধ্যায়কে দু মলাটে ধরে রাখা হয়েছে এই কাব্যগ্রন্থে। আপনি যদি জীবনের সব ঘাত-প্রতিঘাত সহ্য করে দূর্বার গতিতে এগিয়ে যেতে চান, অনুপ্রেরণা, উদ্যম ফিরে পেতে চান, প্রেম-বিরহ-দাম্পত্য সম্পর্কের নানা রসায়নের আস্বাদ অনুভব করতে চান, সমাজের নানা অন্যায় অবিচার দেখে আপনার মনে তীব্র বিদ্রোহের আগুন জ্বলে ওঠে,আপনি আপনার জীবন সংগ্রামে দাঁতে দাঁত চেপে রয়ে গিয়েছেন লড়াইয়ের ময়দানে তাহলে এই বই আপনার জন্যই। আপনি আপনার যুদ্ধ বিধ্বস্ত যে বসন্ত গুলো পেরিয়ে এসেছেন তার সাক্ষী ছিল রাঙা পলাশ। তাই এবার আপনি হাতে তুলে নিন সাক্ষী ছিল রাঙা পলাশ । আপনার অন্তরের নানা রঙের অনুভূতির সাথে একাত্ম হয়ে উঠুক এর কবিতা গুলো। দু মলাটের ভেতরে কী আছে? আসুন এক পলকে দেখে নিই- ১ম অংশ: সাক্ষী ছিল রাঙা পলাশএই অংশের কবিতাগুলো এক ধরনের আত্মপ্রত্যক্ষ—যেখানে বেদনা, অভিমান, হারিয়ে যাওয়া, আবার কখনও জেগে ওঠা—সব মিলিয়ে এক নিরেট জীবনের প্রতিচ্ছবি। ২য় অংশ: বে-ফিকর :যেখানে বেদনার অন্ধকার পেরিয়ে আলোয় হাঁটা শুরু হয়, সেখানেই জন্ম হয় “বে-ফিকর” অনুভবের। জীবনের ভাঙাগড়ার মধ্যে থেকেও ভেতরের আলো জ্বেলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহসী ভাষ্য এ অংশের প্রতিটি কবিতায় ধ্বনিত হয়েছে। ৩য় অংশ: সময় পটআমাদের চারপাশের সমাজ-রাজনীতির নিঃশব্দ অথচ গভীর অভিঘাত অনুধাবনের চিত্র ফুটে উঠেছে নিরব প্রতিবাদের এক কাব্যিক চিহ্ন। অন্যায়, বৈষম্য, দ্বিচারিতা—সময়ের ক্যানভাসে রঙ তুলি দিয়ে আঁকা হয়েছে এই অধ্যায়ের প্রতিটি কবিতা। ৪র্থ অংশ: হাতে হাত রেখো প্রিয় প্রেম, বিচ্ছেদ, পুনর্মিলন আর দাম্পত্য সম্পর্কের ঘাত-প্রতিঘাতের সূক্ষ্ম অনুভূতির নিপুণ চিত্রায়ণ রয়েছে এই অংশে। তাহলে আর দেরি না করে আপনার হাতে তুলে নিন সাক্ষী ছিল রাঙা পলাশ I